Showing posts with label নোটবই. Show all posts
Showing posts with label নোটবই. Show all posts

কাঁদতে থাকা নোটবই - ৩

কাঁদতে থাকা নোটবই - ৩

ফিলিস্তিনের শিশু
মিন হা খলাক্ না ক্বুম
হে মাটি তোমার ভিতরে আজ ঘুম পড়ায়ে দিলাম ফিলিস্তিনের শিশু
ফাটে বোমা বুম বুম
সহিসালামত রাখো, রাখো সহিসালামত আমার আর বলার নাই কিছু!
যদি বলি
চলে গুলি
গুলি চলে
ছলেবলে
বিভিন্ন কৌশলে
কারণে
অকারণে
ছোড়া বিদ্ধ করে বুক
কথার চাবুক
চলে বিভিন্ন ইস্যুতে আসে যম
ফাটে বোমা বুমুবুম
তোমার মাঝে আজ
ফিলিস্তিনি এ শিশুরে পাড়ায়ে দিলাম ঘুম
হে মাটি
তুমি জানো কি?
যারা মরে শিশুকালে
আর পাখি ডাকা সকালে
তাঁরা জান্নাতে বসে খেলে
পানি, ফুল মাছের সাথে
এই জলপ্রপাতে
তুমি খুজে দ্যাখো নিয়ে দম
প্রতিটা ঢেউয়ে লেখা তাদের নাম
আর যারা শহীদ
মরে যাওয়া মানে ঈদ
ওরা বেঁচেবর্তে থাকে
গাজীদের অস্ত্রে
তন্ত্রে তন্ত্রে
সময় হুইসেল হয়ে।


২.
আমার পাখিটা কাঁদলো কেন?
আমি কখনো যাকে কাঁদতে দেখতে চাই না
আমি কখনো দেখতে চাই না দেখতে ও সোনামুখে জল গড়াক
নোনতা জলে মুখ কেন তাঁর থিতু?
তুমি তাঁকে বারবার কাঁদাও হে ঈশ্বর!
কেন?
কেন হে ঈশ্বর?
ঠিক কী কারণে?
এত মানুষ কাঁদে যে রোজ
তাতে কী তোমার হয় না?
কেন আমার পাখিটা কাঁদবে?
ঠিক কী কারণে?
জবাব দিবে
নাকি আরসে মো'আল্লার সথে করে দেবো আড়ি?
তোমার যদি জল দেখতে এতই মনেচায়
তোমার যদি এতই জাগে সখ
তোমার যদি এতই মনেচায় দেখবে জল
তাহলে রয়েছে বিশাল সমুদ্দুর!
এত এত জল তবুও তোমার
এত জল দেখার সখ?
ছিঃ ঈশ্বর ছিঃ!
জবাব চাই
আমার ছোট্ট পাখিটা কাঁদলো কেন?

৩.
আমি একটা আধা পঁচা গলা লাশ
পৃথিবী আমারে করে উপহাস!
কেন এই সাড়ে সাত মিলিয়নের দুনিয়ায়
বোকাদের কেউ আপন নয়?


৪.
আরশে বসা আল্লার কাছে;
আমার একটা আর্জি আছে।
কেন এত কাঁদি খোদা জানো?
পাখির অসুখ আমাকে দাও
পাখিটা আমার কাঁদেনা যেন কখনো!


৫.
দোআ
এখনো চোখে চোখে ভাসে পাখিটির আধো আধো ঘুম ভাঙা চোখ।
যদি আমি মরে যাই
আফসুস নাই
পাখিটির শান্তি হোক!



৬.
আর আমার কিছু হবে না
আমার আর
আর আমার
আমার আর
কিছু হবে না
একটা হৃদয়
একটা মানুষ
কতটা দুঃখ পেলে
কতটা পঁচে গেলে
মরে যেতে চায়
কত নিষ্পাপ মুখ
অতল গহ্বরে
অথবা শূণ্যে
কিংবা সমুদ্রে তলায়!
আর কত তকলিফ?
আর কত ব্যথা হৃদয়
গিললে
কতটা আঘাত দিলে
মানুষ
বোবা হয়ে যায়?
বলতে পারো?
বলবে আমারে?

৭.
আপনার মাথায় চিন্তা;
আপনার মাথায় বিড়ি।
বিড়ি চিন্তারে খায়না
বিড়ি আপনারে খায়।


৮.
ভাল্লাগেনা?
ভাল্লাগেনা?
যাও......
গিয়া মুড়িভাজা খাও.......
আমি এখন নিজের গাঙ্গে একলা মাঝি; ভাসাই দিছি নাও।
আমার এখন একলা চলার হইয়া গেছে অভ্যাস;
আমি এখন নিজের রাজ্যে কইরা বেড়াই ত্রাস!
ঐখানেতে আমিই পুলিশ; আমিই আবার ডাকাত
আমার কথায় উপুত হয় সব আমার কথায়ই কাত
আমার কথায় দিন হয়; আমার কথায়ই রাত।
আমি নিজের চক্রে নিজের মতো ঘুরি
নিজের লাগানো দাহ্য আগুনে নিজের মতো পুড়ি।
আমার এখন ভালো লাগেনা কাউরে
সাধারণ জন দেখলে আমায় পালায় দূরে দৌঁড়ে।
তোমরা যারা অসহ্য আজ চইলা বাবা যাও;
আমি এখন নিজের গাঙ্গে একলা মাঝি; ভাসাই দিছি নাও।

৯.
তুমি দূরে গেলে ভুলে যাই বাপের রাখা নাম;
ভালোবাসা মানে হলো বালছেড়া কাম।


১০.

প্রেয়সি কি আমার কোরান পাঠ শোনে?
ইয়াসিন টান মারি চার আলিফে দেখি প্রেয়সির মুখ,
আহা! আমি তো হারিয়ে গেছি হামজার টানে!
প্রেয়সি কি গোপনে আমার কোরান পাঠ শোনে?
রেহালে কোরান মজীদ, বাহিরে প্রেয়সির প্রকাশ!
আস্তেধীরে পাল্টে গেছে কোরানের সুর-
প্রেয়সি কি বাইরে দাঁড়িয়ে শুনছে কোরান পাঠ?
কোরানের সুরে প্রেয়সির সাথে কি মোহিত হচ্ছে ঐ চাঁদ?
তথাপি ভোকালে অতি সুর আনি-আরো চার আলিফ পাঠ করি টেনে,
কে জানে প্রেয়সিরে মোর কোন আলিফের টান কাছে আনে!

১১.
ও চিঠির কোন জবাব হবেনা
একটি নীরব গাছ বৃষ্টিতে ভিজে যায়
পাতার ফাঁদে জমে থাকে জল; খুলে যায় চোখ। কেউ হতাশ হয়না।
এত সুন্দর মাছরাঙাটা অথচ সে কাঁদতে জানেনা।
অত সুন্দর পাবদা মাছটা অথচ সে সাঁজতে জানেনা।
মাছরাঙা দেখে ভালো লাগে অথচ মানুষ্য তাঁর প্রেমে পরতে পারবেনা
ওঁর শরীর ভিন্ন অবয়বে চোখেরও ভিন্ন রেটিনা।
গাছ হতে ঝরে যায় ফুল - খোপা হতে খুলে যায় চুল;
যে জিনিসটি অতীব সুন্দর ওর প্রেমে পরা ভালো। পেতে চাওয়া ভুল।
প্রেমে পরে সাঁতরে গেলে বুকের গভীরে গিলে ফেলে হজম করতে জানে সমুদ্দুর
প্রেমের গভীরে গেলে মুখ পুড়ে দেয় রোদ্দুর।
সবই অতলে তলাতে গিয়ে জন্ম দেয় এক সুগভীর ইতিহাসের।
একটি সুনীল সমুদ্র যদি কৃষ্ণগহ্বরের গভীরে হারিয়ে যায়। আর ভিন্নভাবে জন্মায় পৃথিবী।
পাখি হয়ে গান গাইবে কর্কশ হাঁসেরা
ওখানে নিত্যনতুন জন্মাবে অন্যরকম ঘাসেরা
যদি শিশিরই না জমা হয় ঘাসে
তবে ঘাসেদের জন্মানোটাই বেহুদা।
(চলছে........)


১২.
অভিশাপ
তোমাকে দিলাম অভিশাপ; একদিন আমার মতো নিঃসঙ্গতা আর একাকীত্ববোধ যেন তোমারেও পেয়ে বসে।
হাসি যেন যাও ভুলে;
কান্নারা জোট যেন বাঁধে তোমার কপালে।
যেন তোমার পাশে কেউ আর না আসে।
না ধরে হাত ;
আমার মতো যেন কুড়ি বছর মনেহয় তোমার একেকটা রাত।
যেন একদিন তুমিও কাঁদো;
যেন তোমার চোখের নিচে কালি জমে
যেন কিরিচ দিয়ে কেউ কোপায় তোমার হৃৎপিণ্ড
যেন তোমার জীবনটা হয় লন্ডভন্ড।
যেন আপন বলতে কেউ না থাকে ধরাধামে।
 তুমি মারা গেলে যেন থাকে প্রথম প্রহর
আর সাথেই যেন শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি
যেন ও বৃষ্টিতে খাটিয়া সমেত ভিজে যাও তুমি।
লাশ যেন পঁচে যায়; বৃষ্টিতে ডুবে যেন যায় তোমার কবর।
কবরে যেন তোমার উপর আজাব বর্ষিত হয়;
তোমাকে দিচ্ছি অভিশাপ- আজবে গজবে যেন কাটে আখেরাত।
তোমাকে অভিশাপ দিচ্ছি কষ্ট হচ্ছে।
বিগত বাইচাত্রামির কথা মনে পরে?
যখন প্রতিটা পাপের হিসাব নেয়া হবে,
ওগো তুমি যাবে কই, কই পালাবে?
২৩/০৭/২০১৮

কাঁদতে থাকা নোটবই - ২

কাঁদতে থাকা নোটবই - ২
১.
একটি রাত কিভাবে
কতটা কষ্টে পার হতে পারে; কেন ; কি কারণে আমার মধ্য হতে জন্ম নেয় অমানুষের আমি জানিনা!
ও জ্বলে আঙার হয়ে ঝলসে যাওয়া চাঁদরে
তোরে দেখে বারে আমার রাত রে!
একবার যদি তাঁকে বলে দিতিস আমার খারাপ লাগার কথা;
আমি আর তবে কাঁদতাম না অযথা!

২.
যার কেউ নাই
তাঁর কেউ নাই
রাত ও আপন না
কল্পনাগণ ঝরছে চোখে
হয়ে অঝোর কান্না।

৩.
ও অশ্রু তুমি আস্তে আস্তে ঝরো
একটা চোখের এত সাধ্য!
কত কাঁদতে পারো?

৪.
আমার কান্না পাচ্ছে ভিষন
আর দেখছে দূরের চাঁদ-আকাশ
একা এত কেন কাঁদি ও জানালার কাঁচ?

৫.
পুরুষ আমি, কান্নার চিৎকার তাই
গলাতক এসে থেমে যায়;
পুরুষ যারা নীরবে কাঁদে
নীরবেই তাঁরা মরে যায়


৬.
বিরামচিহ্ন বরাবর থেমে গেলে
অক্ষরগুলো খেয়ে ফেলে
খেয়ে ফেলে জমানো মেঘে সুনীল আকাশ
কষ্ট মানুষ খেয়ে ফেলে পরপারে হয় বাস।

৭.
আয়াত সুবহে সাদিকেও আমি ঘুমাইনি
যখন আকাশের শেষ তারা ঝড়ে গিয়েছিলো
চারপাশে আমি তাকাইনি
একটা সাপ আজ দেখেছি জানো?
বিষধর ছিলো
শালা বেকুবটা আমাকে কামড়ায়নি
আয়াত আমি মরে যাইনি।

৮.
একটা মানুষ কতটা নিশ্চুপ হয়ে গেলে
কাঁদতে ভুলে যায় তুমি জানো?
ও রাত তুই সাক্ষী থাকিস
এমন নিশ্চুপ কেউ যেন হয়না কখনো!

৯.
মৃত্যুর পর
আমাকে টুকরো করে ফেলে বুক চিড়ে
হয়তোবা হৃদয়ে খোদাই করে
পাবেনা তোমার নাম
আমার ভালোবাসা কল্পিত কোন গল্প নয়
সাক্ষী আছে ভোরের আজান!

১০.
একটা হৃদয় পুড়ে ছাই হয়ে গেলে
ও ছাই তুমি উড়িয়ে দিও দক্ষিণের বাতাসে
হৃদয় পোড়া কালো ধোঁয়া মেঘ হয়ে আজ
জমে গ্যাছে আকাশে আকাশে।

১১.
জানো আমি নিজের জন্য কাঁদিনা
আজ কতটা কষ্ট পেলে তুমি
এই ভেবে অশ্রু চোখে থামেনা!

১২.
আমি তোমায় কষ্ট দিলাম পাখি
তুমি চিৎকার করে কেঁদোনা
কাঁপে আল্লার আরশ
হয়তো খোদা কখনো আমায় ক্ষমা করবেন না!

১৩.
তুমি কাঁদছো কেন পাখি?
আমার কাজে কষ্ট পাইছো নাকি?
তোমার কষ্ট বড় চোট দেয়
জ্বলছে আমার আঁখি!


১৪
কতটা অপরাধবোধ জমা হতে থাকলে নিজেকে নিজের অসহ্য মনে হয় আমি জানিনা!
নিজেকে নিজের কতটা ছোটলোক মনে হতে থাকলে গালি দিতে ইচ্ছে হয় আমি জানিনা!
তবুও আমি দাবী করছি, আমি একটা মানুষ?
একটা আদম সন্তান?
হে মৃত্যু! হে মৃত্যু?
ওহে ক্ষাণকির পোলা মৃত্যু!
আমাকে বাঁচিয়ে রাখছিস কোন বাল করতে?


১৫.
আমি চিৎকার দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলতে পারিনা "আমার ভুল হইছে! আমারে ক্ষমা করো!"
আমি একটা অমানুষ
একটা নিকৃষ্ট
একটা ছোটলোক
নিজেকে নিজের
আমার অসহ্য মনে হতে থাকে
এবং অহেতুক ভোর বেলা
কোন এক কালে
তোমাকে শেষ চিঠিটা লিখেও
এই বুকভরা অপরাধবোধ নিয়ে
আমি পানি না পেয়েই মরে যাবো!
আমি মরে গেলে "আয়াত" তুমি আমার কবরে একটু থুথু ফেলে যেও!


কাঁদতে থাকা নোটবই-১

কাঁদতে থাকা নোটবই-১

১. আমার যখন তোমাকে মনে পরে আমি ভুলে যাই নিজেকে; কাঁদতে থাকা পাখির কলরবে খুঁজে ফিরি তোমাকে। ২. খোদা করি মুনাজাত তুমি শোনো কী? আমার চাইনা একশ বছর হায়াত আমার হায়াত ওকে দিয়ে দাও ভালো থাকে যেন আমার আয়াত! ৩. তোমার কন্ঠস্বর আমার শ্বাসতন্ত্রের হাওয়া পাখি আমার সর্বোচ্চ উপহার ছিলো তোমাকে খুঁজে পাওয়া! ৪. তোমাকে মনে করতে থাকা সময়ে লিখি এই নোট বই আমি যদি মরে যাই প্রতিদিন না পারো সময়ে সময়ে পড়ে নিবে প্রতিটা অক্ষরে অক্ষরে আমার ঘ্রাণ মিশ্রিত আমাকে খুঁজে পাবে। ৫. শুরু করি দিন আল্লার পর তোমার নামে তোমার জন্য আমি/আমার জন্য তুমি খোদাই করা ছিলে চতুর্থাসমানে। ৬. তুমি জানো আমি পার নাস্তিক হে প্রিয় তোমার মাঝে আমি দেবী প্রতিমা খুঁজে ফিরি আমাকে তোমার পূজারী হিসেবে কবুল করে নিও!